বিশেষ প্রতিনিধি,
গত ২৫ মার্চ (মঙ্গলবার) রাতে একটি পরিবারের সদস্য’রা থানায় জিডি করতে যান, তখন রাত বেশি হওয়ার কারণে পরশুরাম মডেল থানার ওসি আবদুল হাকিম বলেন এখন আপাতত জিডি করে যান এবং পরদিন আসতে বলেন কারন সেসময় তাৎক্ষণিক পুলিশ ফোর্স পাঠানো সম্ভব ছিলোনা। বাদীগণ থানায় অবস্থারত অবস্থায় কথিত সমন্বয়ক ওমর ফারুক লোক মারফতে পরে আসতে বলার খবর শুনে, তিনি ফোন করে থানায় চাপ সৃষ্টি করেন এবং ওসির বি*রুদ্ধে নানান অভিযোগ তোলার চেষ্টা করেন, পরে তদন্তের সময়ে জানা যায় যে, উক্ত সমন্বয়ক থানার অ*নিয়মের বি*রুদ্ধে কাজ করার নাম করে নানা বি-তর্ক উসকে দিচ্ছেন, কিন্তু বাদী’রা তাকে চেনেন না কোন মতেই।
এই ঘটনাটি মূলত একটি সামাজিক সমস্যা ও দু*র্বৃত্তায়নের চিত্র।
সমন্বয়ক ওমর ফারুক পুলিশকে ফোন করে চাপ সৃষ্টি করেন এবং বাদীকে অবহেলিত করে মি-থ্যা অ-ভিযোগ তুলতে শুরু করেন। পরবর্তীতে ফারুক আবারও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনপিপির) কেন্দ্রীয় কমিটির লোকদের দিয়েও ফোন করিয়ে থানা থেকে টাকা দাবি করা হচ্ছে এবং অভি-যুক্তদের হ*য়রানির অভিযোগ তুলেছেন। তবে এই কার্যক্রমে বাদীর সাথে তার কোনো যোগাযোগ নেই।
এটি স্বাভাবিকভাবে বোঝা যায় যে, সমন্বয়ক হিসেবে উনি আসলে সমস্যা সমাধানের বদলে উল্টো অ-শান্তি সৃষ্টি করছেন। পুরো পরিস্থিতি একটি দুর্বল ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে একটি বিশাল সামাজিক ইস্যুতে পরিণত হচ্ছে, যেখানে একজন ক-থিত নেতার কারণে মানুষের সমস্যা গুলো আরও জটিল হয়ে যাচ্ছে।
বহুরূপী সমন্বয়ক ওমর ফারুকের অনৈতিক কর্মকাণ্ডে থানার ওসি সব ধরনের সহায়তা করতে অসমর্থ হন। পরবর্তীতে, ওমর ফারুক থানার কর্মকাণ্ড সম্পর্কে সম্পূর্ণ মি-থ্যা অভিযোগ এনে সেখানকার পরিস্থিতি আরও জটিল করে তোলেন, যা বাদী বিবাদীর মাঝে অশান্তি তৈরি করছে।
তার এই সব পরিস্থিতি প্রমাণ করে, সমন্বয়ক হিসেবে কাজ করার নামে তিনি আসলে সমস্যার সমাধান না করে বরং নতুন সমস্যার সৃষ্টি করছেন।
এই ঘটনা সামাজিক অব্যবস্থাপনার উদাহরণ,এমতাবস্থায়, সাধারণ মানুষ তার নেতৃস্থানীয় ভাব-মূর্তির কারণে ক্ষ-তিগ্রস্থ হচ্ছে।
বাস্তবে সমন্বয়কের কাজ হওয়া উচিত সমস্যা সমাধান করা, কিন্তু ফারুক তার কর্মকাণ্ডে তার সত্যিকার উদ্দেশ্য স্পষ্টভাবে প্রমাণ করছেন। এই সঙ্কট সমাজে বড় ধরনের বি-পর্যয়ের পথে নিয়ে যেতে পারে।