ফেনী প্রতিনিধি
নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্র লীগের হামলার প্রতিবাদে একই স্থানে ফেনী কলেজ ছাত্র আন্দোলনের গণ-ইফতার আয়োজন করেন ইসলামি ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি আশিকুল ইসলাম বলেন জালিমদের পতন অনিবার্য। এটাই আজকের বাস্তবতা। ফেনী সরকারি কলেজ মাঠে গণ-ইফতার তার উজ্জ্বল উদাহরণ। বৈষম্যহীন বাংলাদেশ বিনির্মানে ইসলামী শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম শিক্ষার্থীদের জন্য অপরিহার্য। জুলাই আন্দোলনের অন্যতম স্টেইক হোল্ডার ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ে সর্বদা সোচ্চার।
আমাদের শিক্ষার্থী ভাইদের প্রতি আহ্বান!ক্যাম্পাসগুলোকে নিরাপদ রাখতে, লেজুরভিত্তিক রাজনীতি মুক্ত করে সম্প্রীতির পরিবেশ গড়ে তুলতে ঐক্যবদ্ধ হোন।
গতবছরের ১৮ মার্চ মোতাবেক ৭ রমজান ফেনী সরকারি কলেজ মাঠে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ব্যানারে গণ-ইফতারের আয়োজন করে ফেনীর ছাত্র জনতা। ইফতারের পূর্ব মুহূর্তে শিক্ষার্থীদের উপর হামলা করে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগ। তার প্রতিবাদে এ বছর ফেনী সরকারি কলেজ মাঠে আবারও ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ ফেনী সরকারি কলেজ শাখা আয়োজন করে গণ-ইফতারের। কলেজ সভাপতি সাইফুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক সাফায়েত হোসেনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ-এর কেন্দ্রীয় পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় সম্পাদক মুহাম্মাদ আশিকুল ইসলাম। প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ ফেনী জেলা শাখার সভাপতি আলী আহমদ ফোরকান।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ফেনী জেলা সভাপতি মাওলানা গাজী এনামুল হক ভূঁইয়া, উপদেষ্টা প্রিন্সিপাল মাওলানা নুরুল করিম, মাওলানা মীর আহমেদ মীরু, সেক্রেটারি আলহাজ্ব মাওলানা একরামুল হক ভূঁইয়া, জাতীয় নাগরিক পার্টির কেন্দ্রীয় মুখ্য সংগঠক, আজিজুর রহমান রিজভী, জাতীয়তাবাদী যুবদল ফেনী জেলা শাখার সাবেক সাহিত্য সম্পাদক হাবিব আনসারী, ষ্টার লাইন গ্রুপের ভাইস-চেয়ারম্যান জাফর আহমদ, আহতদের মধ্যে স্মৃতিচারণ মূলক বক্তব্য রাখেন আব্দুল মোহাইমিন তাজিম ও এমরান হোসেন, ফেনী কলেজের শিক্ষার্থী সৌরভ হোসেন ও মেরাজুল হক প্রমুখ।